24NEWS
ব্রেকিং

এআই অটোমেশন এর মাধ্যমে পরিচালিত বাংলার ভয়েস এর পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে।

হোমে ফিরুন
জাতীয়বায়াস স্কোর 50/100

নাসার সুইফ্ট টেলিস্কোপ ২০০৪ সালে উৎক্ষেপণ, ব্যর্থ রেসকিউ মিশনের পর পৃথিবীতে ফিরে আসছে

নাসার নিল গেহ্রেলস সুইফ্ট অবজারভেটরি, যা ২০০৪ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, ৪ নভেম্বর ২০২৬-এ অনিয়ন্ত্রিতভাবে পুনঃপ্রবেশের পথে, অধিকাংশ অংশ পুড়ে যাবে, তবে কিছু অংশ বেঁচে থাকতে পারে।

লেখক: The Guardian Science• 2 মিনিট পড়া• ৪ নভেম্বর, ২০২৬
শেয়ার করুন
নাসার সুইফ্ট টেলিস্কোপ ২০০৪ সালে উৎক্ষেপণ, ব্যর্থ রেসকিউ মিশনের পর পৃথিবীতে ফিরে আসছে
নাসার নিল গেহ্রেলস সুইফ্ট অবজারভেটরি, যা দুই দশক ধরে মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ—গামা-রে বর্স্ট—অনুসন্ধান করেছে, ৪ নভেম্বর ২০২৬-এ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে পুনঃপ্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। এই স্যাটেলাইটটি ২০০৪ সালে মিডএক্স (মিডিয়াম এক্সপ্লোরার) প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং মূলত দুই বছরের জন্য তিনটি টেলিস্কোপ চালু রাখার জন্য নকশা করা হয়েছিল। তবে দুই দশকের বেশি সময়ে এটি ২,০০০‑এরও বেশি গামা-রে বর্স্ট সনাক্ত ও ট্র্যাক করেছে, যা মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ শক্তির বিস্ফোরণ হিসেবে বিবেচিত। মার্কিন স্পেস ফোর্সের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ৩.৩০ এএম ইস্টার্ন টাইমে স্যাটেলাইটটি বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে এবং অধিকাংশ অংশ পুড়ে যাবে। নাসা জানিয়েছে, বেঁচে থাকা অংশগুলো ২০.৬° দক্ষিণ ও ২০.৬° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে কোথাও নিক্ষেপ হতে পারে, তবে মানুষের ক্ষতির ঝুঁকি খুবই কম, আনুমানিক ১/২,১০০। সুইফ্টের মিশন চলাকালে বিজ্ঞানীরা গামা-রে বর্স্টের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে, যদিও সেগুলোর সঠিক কারণ এখনও অজানা। সাম্প্রতিক সময়ে, জুলাই মাসে টেলিস্কোপটি একটি বিচ্ছিন্ন সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোলের দ্বারা তারকা ধ্বংসের (টাইডাল ডিসরাপশন) ঘটনা পর্যবেক্ষণ করে, যা গ্যালাক্সির প্রান্তে ঘটেছিল। এই পর্যবেক্ষণটি ব্ল্যাক হোলের গতি ও তারকা ধ্বংসের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করেছে। গত বছর নাসা একটি বেসরকারি স্পেস কন্ট্রাক্টরের মাধ্যমে সুইফ্টকে উচ্চ কক্ষপথে স্থানান্তর করার চেষ্টা করেছিল, তবে রেনডেজভু ব্যর্থ হওয়ায় মিশনটি সফল হয়নি। বর্তমানে স্যাটেলাইটটি প্রায় ১৭১ মাইল উচ্চতায় রয়েছে এবং পুনঃপ্রবেশের প্রস্তুতির জন্য অপারেশন বন্ধ করা হয়েছে। নাসা উল্লেখ করেছে, সুইফ্টের অবদান সক্রিয় গ্যালাক্সি, সুপারম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল, সুপারনোভা, কমেট ও গ্রহাণু ইত্যাদি বিভিন্ন মহাজাগতিক ঘটনায় আমাদের জ্ঞানকে বিস্তৃত করেছে। সূত্র: The Guardian Science https://www.theguardian.com/science/2026/nov/03/nasa-telescope-neil-gehrels-swift-observatory

সূত্র: The Guardian Science মূল প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

পাঠকের মন্তব্য

0 অনুমোদিত মন্তব্য

আপনার মতামত লিখুন। প্রকাশের আগে মন্তব্যটি সম্পাদকীয় পর্যালোচনার জন্য অপেক্ষা করবে।

মন্তব্য লোড হচ্ছে…

আরও সংবাদ পড়ুন

সব দেখুন